শিরোনাম
মাদক নির্মূলে সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল এমপি কঠোর অবস্থানেকৃষি কার্ডের আওতায় পুঠিয়াপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও এমপি নজরুল ইসলাম মন্ডলের প্রতি কৃতজ্ঞতাদলীয় পরিচয়ে অপরাধ করলে "জিরো টলারেন্স" নীতিতে বিএনপি সংলাপ অংশীদারত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধায় আঞ্চলিক–বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রকাশ:

টাইগারের ওপর হামলা ও গ্যাংস্টারদের নতুন হুমকিতে কাঁপছে বলিউড, নজিরবিহীন নিরাপত্তায় সালমান খান!

টাইগার শ্রফের ওপর হামলার পর গ্যাংস্টারদের নতুন হুমকি, কমান্ডো পাহারায় সালমান খান।

বিনোদন ডেস্ক: বলিউড অ্যাকশন হিরো টাইগার শ্রফের ওপর আচমকা প্রাণঘাতী হামলার পর পুরো মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গ্যাংস্টারদের নতুন অডিও হুমকির জেরে সুপারস্টার সালমান খানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে অস্ত্রধারী এসপিইউ (স্পেশাল প্রটেকশন ইউনিট) কমান্ডোদের কড়া পাহারায় দেখা মিলেছে বলিউড ভাইজানের।

গত রোববার টাইগার শ্রফের ওপর ওই অতর্কিত হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পরপরই মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে টাইগারের বাসভবনে ছুটে যান এবং তারকাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোরালো প্রতিশ্রুতি দেন। সেই আশ্বাসের তাৎক্ষণিক প্রতিফলনই যেন দেখা গেল সালমানের বর্তমান নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে।

গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দীর্ঘদিনের হুমকির কারণে সালমান খান এমনিতেই কড়া পাহারায় থাকেন। তবে টাইগারের ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও বার্তা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। ওই অডিও বার্তায় হুমকিদাতারা বলেছে, "টাইগার শ্রফকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল, সে কথা কানে নেয়নি বলেই আজ তাকে পরিণতি ভোগ করতে হলো। এর সম্পূর্ণ দায় নিচ্ছি আমরা— অনিল পণ্ডিত ও হরমন সান্ধু।"

একইসঙ্গে ওই বার্তায় গোটা বলিউডকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির কেউ যদি তাদের নির্দেশ অমান্য করে কিংবা সালমান খানের সঙ্গে কোনো ধরনের কাজ করে, তবে তাদেরও একই পরিণতি বরণ করতে হবে।

এই রোমহর্ষক হুমকি নতুন করে সালমানের অতীত শঙ্কাগুলোকে সামনে নিয়ে এসেছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের এপ্রিলে সালমানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলি চালিয়েছিল বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্যরা। এরপর একই বছরের অক্টোবরে খুন হন সালমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক বাবা সিদ্দিকী। পুলিশের চার্জশিটে পরবর্তীতে উল্লেখ করা হয়, সালমানের সঙ্গে গভীর বন্ধুত্বের কারণেই হয়তো প্রাণ হারাতে হয়েছে তাকে।

একের পর এক এমন ভয়াবহ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ এবং সরাসরি প্রাণনাশের হুমকিতে সালমান খানের নিরাপত্তা নিয়ে তার অগণিত ভক্ত থেকে শুরু করে পুরো চলচ্চিত্র অঙ্গনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনও এখন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।